সমিতি পরিচিতি

জমিদার সমিতি — গঠনতন্ত্র ও রুলস এন্ড রেগুলেশনস

১। সমিতির নাম ও উদ্দেশ্য

১.১ সমিতির নাম হবে জমিদার

১.২ সমিতির মূল উদ্দেশ্য

২। সদস্যপদ ও শেয়ার

২.১ প্রতি শেয়ারের মাসিক কিস্তি ২৫০০ টাকা।

২.২ প্রতি শেয়ারের জন্য বছর শেষে এককালীন জমা ২০,০০০.০০ (বিশ হাজার) টাকা দিতে হবে।

২.৩ একজন সদস্য তার চাহিদামত শেয়ার নিতে পারবে।

২.৪ প্রথম ১ বছরের মধ্যে কোন সদস্য চাইলে তার শেয়ার সংখ্যা বাড়াতে পারবে। পরবর্তিতে কেউ শেয়ার সংখ্যা বাড়াতে চাইলে কমিটি এ বিষয়ে সীদ্ধান্ত গ্রহন করবে। সেক্ষেত্রে শেয়ার ভ্যালু বিবেচনা করা হবে।

৩। পরিচালনা কমিটি

৩.১ সমিতি ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি দ্বারা পরিচালিত হবে।

৩.২ কমিটির মেয়াদ হবে ২ বছর।

৩.৩ কমিটি থেকে একজন সভাপতি, একজন সহ-সভাপতি, একজন সাধারণ সম্পাদক এবং একজন কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হবে।

৩.৪ কমিটির সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত বলে গন্য হবে।

৪। অর্থ ব্যবস্থাপনা ও বিনিয়োগ

৪.১ সমিতির জমাকৃত অর্থ শুধুমাত্র লাভজনক ও হালাল খাতে বিনিয়োগ করা যাবে।

৪.২ সমিতির মোট জমাকৃত অর্থের সর্বোচ্চ ৫০% পর্যন্ত বিনিয়োগে কমিটির পূর্ণ স্বাধীনতা থাকবে। ৫০% এর অধিক বিনিয়োগে কমিটির সকল সদস্যদের মতামত নিতে হবে।

৪.৩ ৫০% পর্যন্ত বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সদস্যরা তাদের মতামত দিতে পারবে, তবে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত কমিটির হবে।

৪.৪ কমিটির সীদ্ধান্ত সকল সদস্যদের বাধ্যতামূলকভাবে মেনে নিতে হবে।

৪.৫ সমিতির অর্থ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

৪.৬ সমিতির অর্থ কোন সদস্যকে ব্যক্তিগত লোন প্রদান করা যাবেনা।

৪.৭ মোট জমাকৃত অর্থের ৮৫% এর অধিক বিনিয়োগ করা যাবেনা।

৪.৮ কার্যনির্বাহি কমিটির কোন সদস্য পারিবারিক বা আত্মীয় সম্পর্কের কারো সাথে যৌথ বিনিয়োগ করতে চাইলে সমিতির সদস্যদের অনুমতি প্রয়োজন হবে।

৪.৯ লাভজনক কোন বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রয়োজনে যৌথ বিনিয়োগ করা যাবে। সেক্ষেত্রে কমিটি আলোচনা সাপেক্ষে সীদ্ধান্ত গ্রহন করবে।

৫। শেয়ার হস্তান্তর ও ত্যাগ

৫.১ কোন সদস্য তার শেয়ার ছেড়ে দিতে চাইলে তা অন্য সদস্যদের কাছে বিক্রি করতে পারবে।

৫.২ নতুন কাউকে শেয়ার হস্তান্তরের ক্ষেত্রে কমিটির অনুমোদন প্রয়োজন হবে।

৫.৩ প্রথম ১ বছরের আগে কোন সদস্য সমিতি ছাড়তে পারবেনা।

৫.৪ এক বছর পূর্ণ হওয়ার পরে স্বেচ্ছায় সমিতি ছাড়তে চাইলে ৩ মাস পূর্বে লিখিত নোটিস দিতে হবে।

৫.৫ সমিতি ছাড়ার ক্ষেত্রে প্রথম বছরের জন্য সদস্যর জমাকৃত অর্থের ১৫% কর্তন করা হবে। ১ থেকে ৩ বছর পর্যন্ত লভ্যাংশ ব্যাতিত মুল টাকা ফেরত দেওয়া হবে।এবং ৫ বছর বা তার অধিক হলে শেয়ার ভ্যালু অনুযায়ী প্রাপ্য টাকা বুঝে পাবে।

৬। কিস্তি প্রদান ও জরিমানা

৬.১ প্রতি মাসে কিস্তি পরবর্তি মাসের ২০ তারিখের মধ্যে জমা দিতে হবে।

৬.২ ২০ তারিখের পর ২৫ তারিখ পর্যন্ত শেয়ার প্রতি ১০০ টাকা জরিমানা প্রযোজ্য হবে।

৬.৩ ২৫ তারিখের পর প্রতি ৫ দিনের জন্য ২০০ টাকা করে জরিমানা যোগ হবে।

৬.৪ টানা ৫ মাস কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হলে কমিটি সদস্যপদ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

৬.৫ বাৎসরিক জমা বছরের যে কোন সময় কিস্তিতে কিংবা এককালীন সুবিধামত প্রদান করা যাবে এবং ডিসেম্বরের ২০ তারিখের মধ্যে সম্পূর্ন পরিশোধ করতে হবে।

৭। হিসাব ও স্বচ্ছতা

৭.১ সমিতির জন্য একটি ব্যাংক একাউন্ট পরিচালনা করা হবে।

৭.২ কোষাধ্যক্ষ প্রতি ৩ মাস অন্তর আয়-ব্যায়ের হিসাব সদস্যদের সামনে উপস্থাপন করবেন।

৭.৩ প্রয়োজনে অডিট করা যেতে পারে।

৮। মিটিং ও সিদ্ধান্ত

৮.১ প্রতি ৩ মাসে অন্তত একটি সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

৮.২ জরুরি প্রয়োজনে বিশেষ সভা আহ্বান করা যেতে পারে।

৮.৩ সভায় উপস্থিত সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যর মতামতের ভিত্তিতে প্রস্তাব গৃহীত হবে।

৯। শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা

৯.১ সমিতির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয় এমন কোনো কার্যকলাম করা যাবে না।

৯.২ সমিতির স্বার্থবিরোধী কাজ করলে কমিটি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারবে।

৯.৩ সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান ও সৌহার্দ্য বজায় রাখা বাধ্যতামূলক।

১০। সংশোধনী

১০.১ প্রয়োজনে এই গঠনতন্ত্র সংশোধন করা যাবে।

১০.২ সংশোধনের জন্য কমিটির সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত প্রয়োজন হবে।

১১। লাভ বন্টন নীতিমালা

১১.১ প্রতি অর্থবছর শেষে সমিতির লাভ/ক্ষতি নির্ধারণ করা হবে।

১১.২ লাভ/ক্ষতি হিসাব প্রস্তুত করবেন কোষাধ্যক্ষ এবং তা পরিচালনা কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে।

১১.৩ কমিটির অনুমোদন ছাড়া কোন লভ্যান্স বন্টন কার্যকর হবে না।

১১.৪ সকল সদস্যদের লাভের পাশাপাশি ক্ষতির দায়ভার বহন করার মানষিকতা থাকতে হবে।

১১.৫ সমিতির সকল সদস্যের মতামতের ভিত্তিতে লভ্যাংশের কমপক্ষে ১% জনকল্যান মুলক কাজে ব্যায় করা যাবে।

পরিচালনা কমিটি

ক্রম নাম পদবি
১মো: শাহেদ রমজানসভাপতি
২এস, এম, তাওহীদ উল হক (মিশুক)সহ সভাপতি
৩মশিউর রহমান রনকসাধারণ সম্পাদক
৪শেখ মাশরেকুল কাইয়ুমকোষাধ্যক্ষ
৫এম এস হাসান শাহরিয়ারসদস্য
৬ফরহাদ হোসেনসদস্য
৭এ কে এম নূরুল আলমসদস্য